যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়া এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই ফ্লুর মৌসুম শুরু হওয়ায় স্বাস্থ্য সতর্কতা জোরদার করেছে সেদেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থা (ইউকেএইচএসএ)। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের নতুন একটি উপধরনের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যা ‘আমেরিকান কোভিড’ বা এক্সএফজি (XFG) নামে পরিচিত। নতুন তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে কোভিড সংক্রমণের হার ৩৪.৬ শতাংশ এবং এ সংক্রান্ত মৃত্যুর হার ৪৭.৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
শরৎকালীন স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত কমে যাওয়া এবং মানুষের ঘরের ভেতরে বেশি সময় কাটানোর অভ্যাসের কারণেই মূলত এই ভাইরাস ছড়ানোর গতি ত্বরান্বিত হয়েছে। ইউকেএইচএসএ জানিয়েছে, গত সপ্তাহের তুলনায় নতুন করে আরও ৯ জনের মৃত্যুর বিষয়টি সরকারি নথিতে নথিভুক্ত হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সাধারণ নাগরিকদের বিশেষ সচেতনতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। যেকোনো ধরনের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বা ঠান্ডা লাগার লক্ষণ দেখা দিলে ঘরে অবস্থান করা এবং বয়স্ক ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা স্বজনদের স্পর্শ এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে একাধিক স্তরযুক্ত সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা এবং জনাকীর্ণ স্থান এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সময়ে কোভিড ও মৌসুমি ফ্লুর জোড়া ঝুঁকি কমাতে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সংস্থা (এনএইচএস) তাদের শীতকালীন টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করেছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৭৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রবীণ নাগরিক, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের ডোজ নিতে নিয়মিত আমন্ত্রণ বার্তা পাঠানো হচ্ছে।






