যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পশায়ারে রিফর্ম ইউকে দলের নেতা ও স্থানীয় কাউন্সিলর ৩৭ বছর বয়সী জর্জ ম্যাডগউইকের বিরুদ্ধে ১২টি ধর্ষণ মামলা সহ সর্বমোট ৩৫টি গুরুতর অপরাধের অভিযোগ এনেছে দেশটির ক্রাউন প্রসেকশন সার্ভিস (সিপিএস)। ২০০৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পোর্টসমাউথ এবং ওয়েলসে চারজন ভুক্তভোগীর ওপর এই নির্যাতন চালানো হয়, যাদের তৎকালীন বয়স ছিল ১৬ ও ১৭ বছর। এই গুরুতর অপরাধমূলক অভিযোগের খবর প্রকাশ্যে আসার পর রিফর্ম ইউকে দল থেকে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত বা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই এক ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে হ্যাম্পশায়ার কনস্ট্যাবলারি তদন্ত শুরু করে এবং চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি লন্ডন থেকে ম্যাডগউইককে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ১২টি ধর্ষণ, ২টি ডিজিটাল বা অনুপ্রবেশের মাধ্যমে যৌন নিপীড়ন, ২টি যৌন নিপীড়ন, শিশুদের আপত্তিকর ছবি তৈরি ও শেয়ার করা, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং হত্যার হুমকি প্রদান। পুলিশ ও প্রসিকিউশন স্পষ্ট জানিয়েছে যে আইনি প্রক্রিয়া এখন সক্রিয় এবং আসামির ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রক্ষায় আদালতের বাইরে যেন কোনো বিভ্রান্তিকর মন্তব্য বা তথ্য শেয়ার করা না হয়।
এদিকে এক বিবৃতিতে জর্জ ম্যাডগউইক নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন তিনি হ্যাম্পশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল এবং পোর্টসমাউথ সিটি কাউন্সিলে একজন স্বতন্ত্র বা ইন্ডিপেন্ডেন্ট কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন বলে জানান। তবে রিফর্ম ইউকে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আগামী ২৫ নভেম্বর পোর্টসমাউথ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে হাজির করার দিন ধার্য রয়েছে।





