মুসলিম চ্যারিটি সংস্থাগুলোর প্রতি কঠোর হচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঘৃণা ছড়ানোর মত কিছু বলার বা প্রচারের সুযোগ করে দিলে সেই প্রতিষ্ঠানকে কড়া মূল্য দিতে হবে। এই কঠোরতা আরোপের জন্যে সরকার চ্যারিটি কমিশনকে বাড়তি ক্ষমতা দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো মসজিদ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারমান, ট্রাস্টি অথবা ম্যানেজার যদি তাদের প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ঘৃণা ছড়ায় বা ঘৃণা উস্কে দেওয়ার মতো কাউকে কিছু বলার বা প্রচার করার সুযোগ তৈরী করে দেন তাহলে চ্যারিটির ট্রাস্টিবোর্ডে তিনি বহাল থাকতে পারবেন না। এমন কি তারা দোষি সাব্যস্ত না হলেও তাদেরকে কমিটিতে নিষিদ্ধ করবে চ্যারিটি কমিশন। গত বৃহস্পতিবার চ্যারিটি কমিশনের একটি জনসমাবেশে এই তথ্য জানিয়েছেন ডেইম জুলিয়া আনউইন। লন্ডন মেট পুলিশের একটি তদন্ত কাজের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষের কারণে চ্যারিটি কমিশনকে এই বাড়তি ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সরকার। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইস্ট লন্ডনের রেডব্রিজ ইসলামী সেন্টারের ঈমাম আল্লাহর কাছে ইহুদি এবং ইসরায়েলী শিশুদের অভিশাপ দিয়েছিলেন। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ নেই বলে গত বছর এই ঘটনার তদন্ত কাজ বন্ধ করে দিয়েছে মেট পুলিশ। এরপর থেকে এ নিয়ে জুইশ কমিউনিটিতে এক ধরনের ক্ষোভ ছিল।





