যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা এবং ভবিষ্যতে ইইউতে পুনরায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মন্তব্য করার পর নিজ দলেই তীব্র ক্ষোভ ও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন। উইকএন্ডে বার্নহ্যাম ইইউ-এর সঙ্গে ‘চলাচলের স্বাধীনতা’ (freedom of movement) পুনর্বহাল ও পরবর্তী নির্বাচনে ইইউতে ফেরার বিকল্প নিয়ে কথা বললে লেবার পার্টির মন্ত্রী ও ব্যাকবেঞ্চারদের মধ্যে নতুন করে ব্রেক্সিট বিতর্ক উসকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে ‘রেড ওয়াল’ এলাকার এমপি ও দলের অভিজ্ঞ নেতা গ্রাহাম স্ট্রিঙ্গার এই পদক্ষেপকে সম্পূর্ণ ভুল ও ম্যান্ডেটহীন বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন।
আগামী ২০ নভেম্বর ব্রাসেলসে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাজ্য-ইইউ শীর্ষ সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এমন অবস্থান দলের ভেতরে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শীর্ষ নেতারা। ব্যবসায়িক নেতারাও সতর্ক করে বলেছেন যে, অবাধ চলাচল পুনরায় চালু হলে তা তরুণদের কর্মসংস্থান সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। যদিও তীব্র সমালোচনার মুখে ডাউনিং স্ট্রিট ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর স্পষ্ট করেছে যে, সরকার এখনই মুক্ত চলাচলের পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো প্রস্তাব দিচ্ছে না, তবে ব্রাসেলস সম্মেলনের পর জোটটির সঙ্গে ভবিষ্যতের সম্পর্কের বিকল্পগুলো স্পষ্ট করা হবে।





