বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করছে বলে এক প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক অধিকার সংস্থা ‘ওপেন রাইটস গ্রুপ’-এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, আশ্রয়প্রার্থীদের বয়স নির্ধারণ, মোবাইল ফোনের তথ্য যাচাই, লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন এবং এমনকি ভুয়া বিয়ে শনাক্তের কাজেও এই এআই প্রযুক্তি খাটানো হচ্ছে। চরম গোপনীয়তায় এই প্রযুক্তির অননুমোদিত ব্যবহারের ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও সামাজিক বৈষম্য বাড়ার গভীর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংস্থাটি অভিযোগ করেছে যে, মানুষকে রক্ত-মাংসের মানুষের বদলে কেবল ডেটা পয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই বৈরী প্রযুক্তিগত পরিবেশ চরম ঝুঁকিপূর্ণ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর লেবার পার্টি, এসএনপি ও গ্রিন পার্টির শীর্ষ আইনপ্রণেতারা সরকারের কাছে পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে হোম অফিসের এক মুখপাত্র এই অভিযোগ খণ্ডন করে দাবি করেছেন যে, এটি কেবল প্রশিক্ষিত কর্মকর্তাদের কাজের সহায়তায় ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এআই-এর ওপর ভিত্তি করে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না।






