সাবেক বোল্টন বিশ্ববিদ্যালয় (বর্তমানে গ্রেটার ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়)-এ অনুষ্ঠিত ১০ লাখ পাউন্ডেরও বেশি মূল্যের আর্থিক অনিয়মের চলমান তদন্তে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০১৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যবর্তী ১১ বছর জুড়ে চলা এই আর্থিক জালিয়াতির ঘটনায় বোল্টন ও সাউথ ইয়র্কশায়ারে অভিযান চালিয়ে ৫০ ও ৬০ বছর বয়সী দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ (GMP)।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি এবং পদের অপব্যবহার করে প্রতারণার প্রাথমিক অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের তথ্যমতে, ধৃত দুজনের মধ্যে একজন গত জুলাই মাসে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ‘ম্যানচেস্টার মিল’-এর একটি প্রতিবেদন এবং পরবর্তীতে প্রাইসওয়াটারহাউসকুপার্স (PwC)-এর তদন্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ প্রায় ৬০টি সন্দেহজনক লেনদেন এবং ১০ লক্ষাধিক ইমেইল পর্যালোচনা করে মামলাটির বিশদ তদন্ত শুরু করে।
এই বড় ধরনের অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির কেলেঙ্কারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। উল্লেখ্য, টানা ২০ বছর দায়িত্ব পালনের পর আর্থিক অনিয়ম ও শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে গত আগস্ট মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর জর্জ হোমসকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী এবং ৯০০ কর্মী নিয়ে গঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে তদন্ত সংস্থাগুলো বর্তমানে বেশ জোরালো ভূমিকা পালন করছে।





