যুক্তরাজ্যে পেট্রল ও ডিজেলের দাম রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যাওয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি গত প্রায় এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (ONS) প্রকাশিত নতুন তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে ভোক্তা মূল্য সূচক বা সিপিআই (CPI) মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৫ শতাংশে, যা আগস্ট মাসে ছিল ৩.১ শতাংশ।
গত বছরের অক্টোবরের পর এটিই সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হার, যা অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস দেওয়া ৩.৪ শতাংশের চেয়েও বেশি। এর ফলে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নির্ধারিত ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা থেকে মুদ্রাস্ফীতি আরও দূরে সরে গেছে। মূলত পরিবহন খাতের ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ওএনএস-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে মোটর জ্বালানির দাম ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সেপ্টেম্বর মাসে পেট্রলের গড় দাম প্রতি লিটারে ৮.২ পেন্স বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৯.৫ পেন্স, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে ডিজেলের দাম ১০.৭ পেন্স বেড়ে হয়েছে ১৯২.৫ পেন্স, যা জুলাই ২০২২-এর পর সর্বোচ্চ। এমনকি আরএসি (RAC)-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে ডিজেলের গড় দাম প্রথমবারের মতো প্রতি লিটার ২০০ পেন্স ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া বিমানভাড়া এবং কিছু বিনোদনমূলক পণ্যের দাম বাড়াও মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধিতে প্রভাব রেখেছে।





