চাঁদাবাজ ও দখলদারদের কবল থেকে বাংলাদেশে প্রবাসী বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা কামনা করেছেন এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্টের বিনিয়োগকারীরা।
শতাধিক বিনিয়োগকারীর পক্ষে আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন এক্সেলসিয়র সিলেটের বিনিয়োগকারী ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটি কোয়ালিশনের চেয়ারম্যান সিরাজ হক, এক্সেলসিয়র সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ চৌধুরী এবং পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমদ আলী।
সিলেটের খাদিমপাড়ায় শত কোটি টাকার ১৭ একর নিজস্ব জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এক্সেলসিয়র সিলেট (সাবেক জাকারিয়া সিটি) দখলের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ জানিয়েছেন প্রবাসী উদ্যোক্তারা। এ ঘটনায় সরকারি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে জনৈক রাহাত চৌধুরী মুন্নার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে রিসোর্ট দখল, মালিকপক্ষ ও কর্মচারীদের ওপর হামলা ও মামলার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
মালিকপক্ষের দাবি, প্রায় এক যুগের সাধনায় গড়ে তোলা পর্যটনকেন্দ্রটি ব্যবসায়িক সাফল্যের মুখ দেখার মুহূর্তে একটি চক্রের দখলের শিকার হয়েছে। মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আয়ের উপযোগী পর্যটন প্রকল্পটি মাত্র ১ লাখ টাকা মাসিক ভাড়ায় তাদের কাছে নাকি ইজারা দেওয়া হয়েছে- এমন দাবি করছে চাঁদাবাজ ও দখলদার চক্র।
মালিকপক্ষের আরও অভিযোগ, মুন্না চক্র রিসোর্টে মাদক ও নারী ঘটিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন একাধিকবার অপরাধীদের হাতেনাতে ধরলেও মূল হোতা-সহ সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে।
বিষয়টি সমাধানে খাদিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালিশের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে প্রবাসী বিনিয়োগের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ সহায়তা কামনা করেছেন এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্টের বিনিয়োগকারীরা।
এর আগে, হোটেল এন্ড রিসোর্টটি দখলমুক্ত করা, সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য, বস্ত্র, পাট ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন মালিকপক্ষ।
উল্লেখ্য, এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল এন্ড রিসোর্টের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছেন লন্ডন অলিম্পিকের অন্যতম লোগো ডিজাইনার। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মতো বর্তমানেও চাঁদাবাজদের কারণে রিসোর্টটির মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের আগেই অস্তিত্বসংকট তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিনিয়োগকারীরা।





