বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পর্তুগালের ভিসা নেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন। এই সফরের সময় তার সঙ্গে এক নারী ছিলেন, যিনি মাহদীর আত্মীয় বলে জানা গেছে।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে মাহদী হাসান ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মাহদী অভিযোগ করেছেন, ভারতে থাকার সময় তিনি হেনস্তার শিকার হয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাহদী হাসানকে প্রথম দেখা যায় কনট প্লেসে একটি বেসরকারি সংস্থার দপ্তরে, যা বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের হয়ে ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করে। মাহদী এবং তার সঙ্গে থাকা নারী পর্তুগালের ভিসার জন্য আবেদন করতে গিয়েছিলেন। পর্তুগালের ভিসা নিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের ভারতীয় ভিসা প্রয়োজন হয়। জানা গেছে, বাংলাদেশের ভারতীয় দূতাবাস মাহদীকে ভিসা দিয়েছে।
মাহদী হাসান ও তার সহযাত্রী নয়াদিল্লি রেল স্টেশনের কাছাকাছি পাহাড়গঞ্জ এলাকার একটি হোটেলে ওঠেন। ভিসা কেন্দ্রে অপেক্ষা করার সময় একজন ব্যক্তি ভিডিও রেকর্ড করেন। ভিডিও রেকর্ডকারী ও মাহদীর পরিচয় নিশ্চিত হলেও ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র জানায়, নতুন দেশে এসে অজানা নম্বর থেকে হঠাৎ ফোন আসায় মাহদী চিন্তিত হয়ে পড়েন। ভিসা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে পুরানো দিল্লির জামা মসজিদ এলাকায় যান। পরে বাংলাদেশ থেকে জানানো হয় যে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরপর মাহদী আশ্রয়ের সন্ধান করতে বিভিন্ন জায়গায় যান, তবে কেউ তাকে থাকার সুযোগ দেননি।
বিবিসি বাংলার সঙ্গে কথা বলায় একটি সূত্র জানিয়েছেন, মাহদী দিল্লি থেকে ভিসা নিয়ে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তার সঙ্গে থাকা নারী তার আত্মীয়।