ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মুখের নিকাব বা পর্দা খুলতে হবে কি না—এ প্রশ্নে অনেক ভোটার, বিশেষ করে পর্দানশীন নারীদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, ভোটারের পরিচয় নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক এবং এ দায়িত্ব পালন করেন প্রথম পোলিং অফিসার।
আইন অনুযায়ী, পোলিং অফিসার ভোটারের মুখের সঙ্গে ভোটার তালিকায় থাকা ছবির মিল পরীক্ষা করবেন। পরিচয় নিশ্চিত হলে তিনি উচ্চস্বরে ভোটারের নাম ও ভোটার নম্বর ঘোষণা করবেন। এরপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীকসংবলিত একটি ব্যালট পেপার এবং গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ সংবলিত আরেকটি ব্যালট পেপার ভোটারকে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগিয়ে দেওয়া হবে।
তবে পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে সাময়িকভাবে মুখমণ্ডল দেখাতে হতে পারে। যদি কেউ পরিচয় গোপন করে বা ছদ্মবেশে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাকে নির্বাচনী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সোপর্দ করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক বিচারের (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে পারেন।
এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আইন মেনে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এসব বিধান কার্যকর থাকবে।