ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৈঠকে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক ব্রিটিশ মন্ত্রী সীমা মালহোত্রাকে পাঠানোর জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, দৃঢ় জনসম্পৃক্ততা এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
সাক্ষাতে শিক্ষা, অভিবাসন, নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে যুক্তরাজ্যের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এছাড়া ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ সভার ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন কামনা করেন তিনি। এ বিষয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বিষয়টি নিজ দেশের সদর দপ্তরে অবহিত করার আশ্বাস দেন এবং বাংলাদেশের প্রার্থিতা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে বলে জানান।
বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এর আগে, ব্রিটিশ হাইকমিশনার নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।