ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য-এর মধ্যে ছোট নৌকায় অভিবাসী ঠেকাতে করা চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সৈকত টহল জোরদার ও ব্যয় ভাগাভাগি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধে আলোচনা অচলাবস্থায় পৌঁছেছে।
তিন বছর মেয়াদি প্রায় ৪৮০ মিলিয়ন পাউন্ডের এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে থাকলেও নতুন করে সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। ডাউনিং স্ট্রিট আরও কঠোর নজরদারি ও হস্তক্ষেপ বাড়ানোর দাবি জানালেও ফ্রান্স আশঙ্কা করছে, এতে আশ্রয়প্রার্থীদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
২০২৩ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ-এর মধ্যে হওয়া চুক্তির আওতায় ফরাসি উপকূলে নজরদারি বাড়াতে অর্থায়ন করছিল যুক্তরাজ্য। বর্তমানে যুক্তরাজ্য এই টহল ব্যয়ের বড় অংশ বহন করছে।
তবে যুক্তরাজ্য এখন চায়, অর্থায়নের সঙ্গে ছোট নৌকা আটকানোর সাফল্য সরাসরি যুক্ত করা হোক এবং হস্তক্ষেপের সংখ্যা বাড়ানো হোক। অন্যদিকে ফ্রান্স বলছে, অতিরিক্ত চাপ নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং উদ্ধার কার্যক্রমই অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
এদিকে, মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের কঠোর সীমান্ত নীতি কার্যকর নয় বরং এতে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। তাদের মতে, অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বৈধ পথ তৈরি করাই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হতে পারে।