যুক্তরাজ্যের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস। ২৯ মার্চ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটারসাইড ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। নর্দাম্পটন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি বিজনেস চেম্বার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ্যাম্পটনশায়ারের লর্ড-লেফটেন্যান্ট জেমস সন্ডার্স-ওয়াটসন। তিনি অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজনেস চেম্বারের চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজ ইসলাম, নর্থ্যাম্পটনের মেয়র কাউন্সিলর জেন বার্চ, লর্ড রামি রেঞ্জার, মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক খানসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, নর্দাম্পটনে প্রায় ১৫ হাজার ব্রিটিশ-বাংলাদেশির বসবাস রয়েছে এবং তারা ব্রিটেনের মূলধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। স্বাধীনতা দিবসের এ আয়োজনে অংশ নিতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।
কাউন্সিলর নাজ ইসলাম জানান, গত পাঁচ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজনেস চেম্বার যৌথভাবে এ আয়োজন করে আসছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম ও আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ইতিহাস ও গৌরব তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়।
পতাকা উত্তোলনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট ভবনে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর কমিউনিটিতে বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সংগঠনের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অতিথি শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। এছাড়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘বাংলাদেশ: আ বার্থ অব আ নেশন’ প্রদর্শন করা হয়, যেখানে ১৯৭১ সালের বীরত্বগাথা ও গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজনের মাধ্যমে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্পৃক্ততা বাড়ানো হবে।