রাঙামাটির বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছেন কৃষক, জেলে ও পণ্যবাহী গাড়ির চালকরা। স্থানীয় প্রশাসনের রুটিন ও সময়সীমার কারণে জেলার চারটি পাম্পের মধ্যে তিনটিতে ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে ডিজেল পাননি।
কৃষকরা জানান, সেচের জন্য তেল না পাওয়ায় ধানের জমির মাটি ফেটে যাচ্ছে এবং গাছ মারা যাচ্ছে। একই সঙ্গে তেলের অভাবে পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী স্পিডবোট সার্ভিসও থমকে গেছে। নারীরা বলছেন, পুরুষরা নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারছে না, যা স্থানীয় জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
রাঙামাটি কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান জানান, “সঠিক কৃষক যাতে ডিজেল পায় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, নতুবা বোরো আবাদ ও লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।”
স্থানীয়রা দাবি করছেন, তেলের জন্য লাইনের সময়সীমা বাড়ানো হলে অনেক সমস্যার সমাধান হতো। এতে কৃষি ও পণ্যমহল উভয় ক্ষেত্রেই কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা মিলবে।