বিপিএলের সর্বশেষ আসরে সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলা জাতীয় দলের স্পিনার নাসুম আহমেদের ৩৫ লাখ টাকা পারিশ্রমিক বকেয়া রয়েছে—এমন দাবিকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পর সোমবার দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তারা দাবি করেছে, নাসুম আহমেদের পারিশ্রমিকসহ সব পাওনা ইতিমধ্যেই পরিশোধ করা হয়েছে এবং তাদের কাছে এখন কোনো বকেয়া নেই।
সিলেট টাইটান্স জানায়, বিপিএল ২০২৫–২০২৬ মৌসুমে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয়টি গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (Bangladesh Cricket Board) কার্যালয়ে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হয়। তাদের দাবি অনুযায়ী, চুক্তি অনুযায়ী নাসুমের মোট ৩৫ লাখ টাকার পুরো অর্থই পরিশোধ করা হয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আরও জানায়, নিলামের আগে মৌখিকভাবে চ্যাম্পিয়ন হলে অতিরিক্ত বোনাস দেওয়ার আলোচনা থাকলেও দল শিরোপা না জেতায় সেই বোনাস দেওয়ার কোনো চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়নি।
পেমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে তারা দাবি করে, খেলোয়াড়ের অনুরোধেই নগদে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি অগ্রিম দেওয়া কিছু চেক ফেরত দেওয়া হলেও নাসুম আহমেদ সেগুলো ফেরত দেননি এবং বিসিবি কার্যালয়ে নির্ধারিত দিনে উপস্থিতও ছিলেন না বলে তারা অভিযোগ করে।
সবশেষে সিলেট টাইটান্স কর্তৃপক্ষ জানায়, চুক্তি অনুযায়ী সব আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে কোনো বকেয়া নেই—এ বিষয়টি ঘিরে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা দূর হবে বলে তারা আশা করছে।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যে বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেট মহলে আলোচনা চলমান রয়েছে।