ইউরোপ ভ্রমণে এখন বড় ধরনের এক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কারণ পর্যটকরা এখন বড় রাজধানীর চেয়ে ছোট ও সুন্দর শহরগুলো বেশি পছন্দ করছেন। ফলশ্রুতিতে বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপ্রেমীদের মাঝে এখন ইউরোপের ‘তৃতীয় শহর’ ভ্রমণ করার আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে।
অতিরিক্ত ভিড় ও জনপ্রিয় শহরের কড়াকড়ি
প্রকৃতপক্ষে গত বছর ইউরোপে রেকর্ড প্রায় ৮০ কোটি আন্তর্জাতিক পর্যটকের আগমন ঘটেছে। সুতরাং অতিরিক্ত চাপের কারণে ভেনিস, আমস্টারডাম ও বার্সেলোনার মতো শহরগুলোতে নানাবিধ বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে এই ভিড় ও বাড়তি খরচ এড়াতেই মানুষ বিকল্প খুঁজছেন। একইসাথে বিশেষজ্ঞরা সুইডেনের মালমো, বেলজিয়ামের ঘেন্ট কিংবা ফ্রান্সের লিঁও’র মতো শহরগুলোকে সেরা বলছেন। এমনকি এই স্থানগুলোতে ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক দারুণ মেলবন্ধন রয়েছে। পরিশেষে কম খরচে শান্তিতে ঘোরার জন্য এগুলো এখন দারুণ জনপ্রিয়।
তৃতীয় সারির শহরের আকর্ষণ ও ভবিষ্যৎ
স্বাভাবিকভাবেই জার্মানির হামবুর্গ, স্পেনের বিলবাও কিংবা ডেনমার্কের ওডেন্সে শহরগুলো পর্যটকদের মুগ্ধ করছে। বিশেষত ভ্রমণের ক্ষেত্রে এই ইউরোপের ‘তৃতীয় শহর’ ভ্রমণ এখন সবচেয়ে লাভজনক ও আরামদায়ক মাধ্যম। তাছাড়া এসব জায়গায় গেলে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার ও জীবনযাত্রার আসল স্বাদ পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি ডেনমার্কের ওডেন্সে বিখ্যাত রূপকথার লেখক অ্যান্ডারসেনের জন্মস্থান হওয়ায় এর আলাদা টান রয়েছে। এর ফলে আগামী দিনগুলোতে ইউরোপের পর্যটন মানচিত্রে এই ছোট শহরগুলোর গুরুত্ব আরও বাড়বে। সর্বোপরি আধুনিক পর্যটকরা এখন কোলাহলমুক্ত পরিবেশকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ









