বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানি নিরাপত্তা ও খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্রিটেনে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো জাতীয়করণ করার আহ্বান জানিয়েছে থিঙ্কট্যাঙ্ক কমনওয়েলথ।
কমনওয়েলথ জানায়, যেহেতু যুক্তরাজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার মাত্র ৫%-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে, তাই এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো এখন জাতীয়করণের উপযুক্ত সময়।
তাদের দাবি, প্রাইভেট কোম্পানিগুলো বর্তমানে সংকটকালে গ্রিডকে “মুক্তিপণ” হিসেবে ব্যবহার করছে এবং সাধারণ দামের চেয়ে অনেক বেশি ফি আদায় করছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিকের চেয়ে ১০০ গুণ পর্যন্ত বেশি হয়েছে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে, শীতকালে কম বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময়, দুটি গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়েক ঘণ্টা চালানোর জন্য প্রায় ১৮ মিলিয়ন পাউন্ড পেয়েছে।
উত্তর ওয়েলসের ইউনিপার পরিচালিত কোনাহ’স কোয়ে কেন্দ্র ১০.৩ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করে।
লন্ডনের উত্তরে রাই হাউস কেন্দ্র, যেটি ভিটল কোম্পানির মালিকানাধীন, ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করে।
এই কোম্পানিগুলো দাবি করেছে, তারা সারাবছর বিনিয়োগ করেছে যেন দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিরাপদ থাকে।
পল মোরোজ্জো বলেন, “সরকার যদি এই গ্যাসচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো জনসাধারণের মালিকানায় নিয়ে আসে, তাহলে অতিরিক্ত মুনাফা আদায় বন্ধ হবে এবং বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব হবে।”
উচ্চ চাহিদার সময় ব্যবহারের জন্য রাষ্ট্রের হাতে “কৌশলগত রিজার্ভ” হিসেবে কিছু গ্যাস কেন্দ্র রাখা হোক।
দীর্ঘমেয়াদে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাওয়া হোক।
একজন সরকারি মুখপাত্র জানান, “২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য পরিষ্কার, ঘরোয়া বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এতে বিল হ্রাস ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।”









