মূলত ব্রিটেনে চিকিৎসার ইতিহাসে বড় কেলেঙ্কারি ঘটেছে। কারণ হাসপাতালের চরম অবহেলায় ৫০০ মা-শিশু মারা গেছেন। ফলশ্রুতিতে এই ঘটনায় পুরো দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ বাড়ছে।
ভয়াবহ অনিয়ম ও মৃত্যুর হিসাব
প্রকৃতপক্ষে ২০১০ সাল থেকে এই অনিয়ম চলে আসছিল। সুতরাং এই এনএইচএস প্রসূতিসেবা কেলেঙ্কারিতে ৫০০ মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিশেষ করে সঠিক সেবা দিলে এই মৃত্যু এড়ানো যেত। একইসাথে সেখানে ভুক্তভোগী মায়েদের উল্টো দোষারোপ করা হতো। এমনকি তীব্র ব্যথার সময়ও রোগীদের ভর্তি নেওয়া হতো না। পরিশেষে কর্মকর্তারা দীর্ঘ ১০ বছর এই সত্য লুকিয়ে রাখেন।
নীরবতা ভাঙতে সরকারের কঠোর আইন
স্বাভাবিকভাবেই এই এনএইচএস প্রসূতিসেবা কেলেঙ্কারিতে ৫০০ মা ও শিশুর মৃত্যুর পর সরকার জেগে উঠেছে। বিশেষত হাসপাতালের এই নীরবতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে নতুন নিয়ম হচ্ছে। তাছাড়া তদন্তে তথ্য লুকালে দুই বছরের জেল হবে। এর পাশাপাশি রোগীদের সুরক্ষায় নতুন বিশেষ অধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে চিকিৎসায় অবহেলা দেখলে পরিবার সরাসরি অভিযোগ করতে পারবে। সর্বোপরি এই ঘটনা ব্রিটেনের চিকিৎসা ব্যবস্থার বড় ব্যর্থতা।








