মূলত শরণার্থী পুনর্বাসনে কানাডার আদলে নতুন কর্মসূচি আনছে ব্রিটিশ সরকার। কারণ দেশটির স্থানীয় সামাজিক সংগঠন এবং অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরাসরি স্পনসর করার সুযোগ পাবে। ফলশ্রুতিতে এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে শরণার্থী পুনর্বাসনে নতুন পথ চালু হতে যাচ্ছে।
কমিউনিটি স্পনসরশিপ ও যোগ্যতা
প্রকৃতপক্ষে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে এই নতুন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সুতরাং যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো শরণার্থীদের আবাসন ও কর্মসংস্থানের দায়িত্ব নিতে পারবে। विशेष করে এর মাধ্যমে প্রকৃত শরণার্থীরা নিরাপদ এবং আইনি উপায়ে ব্রিটেনে আসতে পারবেন। একইসাথে স্থানীয় জনগণও মানবিক এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনকি এর মাধ্যমে শরণার্থীদের সমাজে দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করা আরও সহজ হবে। পরিশেষে এই বছরের শেষ দিকেই প্রথম ধাপের পুনর্বাসন শুরু হতে পারে।
আশ্রয় নীতিতে কঠোর সংস্কার
স্বাভাবিকভাবেই নতুন সুযোগ তৈরির পাশাপাশি আশ্রয় ব্যবস্থায় বড় কড়াকড়ি আনা হচ্ছে। বিশেষত অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারীদের দ্রুত বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া পরিবার পুনর্মিলনের শর্তগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি নতুন নিয়মগুলোর মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন যুক্তরাজ্যে শরণার্থী পুনর্বাসনে নতুন পথ তৈরি হবে, অন্যদিকে জালিয়াতিও ঠেকানো যাবে। সর্বোপরি মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই কঠোর নিয়মের কারণে প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সূত্র: বিবিসি









