ব্রিটেনে মানবাধিকার আইনের ফাঁক গলে বহিষ্কার ঠেকাচ্ছেন অসংখ্য বিদেশি অপরাধী। কারণ দেশটিতে বহিষ্কারের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অবাধে বসবাসকারী অপরাধীর সংখ্যা রেকর্ড ছুঁয়েছে। ফলশ্রুতিতে বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার বিদেশি অপরাধী যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
আইনের অপব্যবহার ও বর্তমান পরিসংখ্যান
প্রকৃতপক্ষে গত পাঁচ বছরে এই অপরাধীদের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। সুতরাং এখন যুক্তরাজ্যে বিদেশি অপরাধী বহিষ্কার প্রক্রিয়া নিয়ে বড় বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গুরুতর সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও পারিবারিক জীবনের অধিকার দেখিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। একইসাথে প্রায় ৪৪ শতাংশ অপরাধী আপিল করে আদালতে সফল হচ্ছেন। এমনকি তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের সাথে একই সমাজে বসবাস করছেন। পরিশেষে এটি ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আটক কেন্দ্র বৃদ্ধি ও সরকারের কঠোর অবস্থান
স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনা এনেছেন। বিশেষত আগামী এক দশকে অতিরিক্ত ৪৫ হাজার অবৈধ অভিবাসী ও অপরাধী তাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া আটক কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা এক ধাক্কায় ৪০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি অভিবাসন আইনের জটিলতা কমিয়ে একক আপিল ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে খুব দ্রুত যুক্তরাজ্যে বিদেশি অপরাধী বহিষ্কার কার্যকর করা সম্ভব হবে। সর্বোপরি বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে মানবাধিকার সনদ থেকে ব্রিটেনকে পুরোপুরি বেরিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ









