বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন বার্তা আদান-প্রদানের জন্য। তবে অনেকেরই অজানা, এই জনপ্রিয় অ্যাপ ব্যবহার করেই ঘরে বসে আয় করা সম্ভব। একটি স্মার্টফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থাকলেই শুরু করা যায়। সম্প্রতি ফ্রি-ক্যাশ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে আয়ের কয়েকটি কার্যকর পদ্ধতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।
পণ্য ও সেবা বিক্রি:
হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পণ্য কিংবা সেবা বিক্রি করা যায়। ভার্চুয়াল ক্যাটালগ তৈরি করে তা গ্রাহকদের কাছে পাঠালে বিক্রির সুযোগ বাড়ে। প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি করলে আয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
অনলাইন টিউটরিং:
কোনো বিষয়ে দক্ষতা থাকলে হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কল ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে আয় করা সম্ভব। বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষার্থী সংগ্রহ করা যায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও স্পন্সর কনটেন্ট:
নিজস্ব ব্যবসা না থাকলেও অ্যাফিলিয়েট লিংক বা ডিসকাউন্ট কোড শেয়ার করে কমিশন আয় করা যায়। আপনার শেয়ার করা লিংক থেকে কেউ পণ্য কিনলে নির্দিষ্ট অংশ আপনার আয় হিসেবে যুক্ত হবে।
অনলাইন ইভেন্ট আয়োজন:
হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বা কলের মাধ্যমে অনলাইন ইভেন্ট আয়োজন করা যায়। বর্তমানে অনলাইন ইভেন্টের চাহিদা বাড়ায় এটি লাভজনক উদ্যোগ হতে পারে।
কমিউনিটি গড়ে তোলা:
হোয়াটসঅ্যাপে নির্দিষ্ট আগ্রহভিত্তিক কমিউনিটি তৈরি করে সদস্যপদ ফি, নিয়মিত আলোচনা বা বিশেষ কনটেন্টের মাধ্যমে আয় করা যায়। যেমন—বুক ক্লাব বা স্কিল শেয়ারিং গ্রুপ।
পেইড নিউজলেটার:
নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে দক্ষতা থাকলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পেইড নিউজলেটার চালু করে নিয়মিত আয় করা সম্ভব।
স্টিকার ডিজাইন ও বিক্রি:
হোয়াটসঅ্যাপ স্টিকার ডিজাইন করে তা বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করা যায়। পপ স্টুডিওসহ বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে সহজেই স্টিকার তৈরি করা সম্ভব।
সব মিলিয়ে, হোয়াটসঅ্যাপ এখন আর শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ থাকলে এটি ঘরে বসে আয় করার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।






